মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৯ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা তারিক সুলাইমানের উদ্যোগে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগ দাবি আদায় না হলে ভোটে অংশ না নেওয়ার আল্টিমেটাম পায়রাবন্দর কর্মচারীদের বাউফলে ২টি দোকান ও ২টি বসত ঘর আগুনে ভস্মীভূত কলাপাড়ায় ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থনে মিছিল এবং সমাবেশ পটুয়াখালী জেলা জাসাসের আহবায়ক কমিটি অনুমোদন রাহাত আহবায়ক কায়ুম জুয়েল সদস্য সচিব পটুয়াখালীতে মায়ো ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ আমরা চাই দল মত নির্বিশেষে সকল মানুষকে এক জায়গায় নিয়ে আসতে। বিএনপি প্রার্থী …এবিএম মোশাররফ হোসেন দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে- আল্লামা মামুনুল হক গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব কলাপাড়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে গাঁজাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৎস্য ব্যবসায়ী নি/হ/ত মহিপুর থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হবে…..এবিএম মোশাররফ হোসেন পটুয়াখালী-৪ নির্বাচনী আসনে প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক প্রচারনা শুরু কলাপাড়ায় নারী ভোটারদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাবার বাড়ি থেকে দুই সন্তান নিয়ে স্ত্রী উধাও
২৯নং ওয়ার্ডে মাদরাসা নিয়ে মসজিদে হট্টোগোল…..!!

২৯নং ওয়ার্ডে মাদরাসা নিয়ে মসজিদে হট্টোগোল…..!!

Sharing is caring!

নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশাল নগরীর ২৯নং ওয়ার্ড পূর্ব ইছাকাঠী এলাকায় অবস্থিত আব্দুল্লাহ দারুসসালাম মাদরাসার তদন্ত প্রতিবেদন পড়া নিয়ে মসজিদে হট্টোগোল করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে গত শুক্রবার জুমার নামাজের বয়ান শেষে এবং খুতবার পূর্বে মাদরাসার দুই পক্ষের সামনে তদন্ত প্রতিবেদন পড়ে শোনান ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদ। যেখানে ১ম পক্ষ হিসেবে ছিলেন মো: ছাদুল্লাহ সিকদারের ছোট ছেলে আমান উল্লাহ রিয়াজ, ও ২য় পক্ষ হিসেবে ছিলেন মাদরাসার সাবেক পরিচালক মাওলানা ওমর ফারুক। তবে ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদ মুসল্লিদের সামনে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠ করার পরে মাদরাসার সাবেক পরিচালক মাওলানা ওমর ফারুক তাতে আপত্তি জানালে মসজিদের বসেই উত্তেজিত হয়ে ওঠেন ছাদুল্লাহ সিকদারের ছোট ছেলে আহসান উল্লাহ রিয়াজ। মসজিদের ইমাম, ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ও মুসল্লিদের সামনেই মাওলানা ওমর ফারুকের উপর তেরে আসেন বলে মুসল্লিদের অভিযোগে জানাগেছে। মুসল্লিরা তাকে একাদিকবার নিষেধ করলেও তিনি তা শোনেননি। সাধারন মুসল্লিরা মনে করেন মাদরাসা কিংবা কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তদন্ত প্রতিবেদন পড়া নিয়ে মসজিদে হট্টোগোল করা মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট করার মতো। তবে এ বিষয়ে আমান উল্লাহ রিয়াজের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তেমন কোন হট্টোগোল হয়নি একটু কথা কাটাকাটি হয়েছে। এদিকি এবিষয়ে ২৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: ফরিদ আহমেদের কাছে জানার জন্য ফোন করার হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি। অপরদিকে মাদরাসার সাবেক পরিচালক মাওলানা ওমর ফারুকের কাছে জানার জন্য ৪বার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। (সংবাদের তথ্য সূত্র: অনলাইন নিউজ প্রোটাল, মসজিদের সাধারন মুসল্লি ও সরেজমিনে অনুসন্ধান)

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD